fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গব্লগহেডলাইন

শাসক বিরোধী আন্দোলনের মুখ হিসাবে রাজ্যে সুজন কিংবা অধীর,নাকি দিলীপ কেই বেশি পছন্দ?

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিকল্প রাজ্যে কে? লাখ কেন! কোটি টাকার প্রশ্ন। উত্তর জানার অপেক্ষায় রাজ্যবাসী।আগ্ বাড়িয়ে কাউকে কিচ্ছু বলতে হবে না, শুধু অপেক্ষা!সময় ই এ প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দেবে। জননেতা হতে গেলে আভ্যন্তরীণ মনুষ্যত্বকে জাগ্রত করতে হয়। কিছু একটা করার তাগিদ থেকেই উঠে আসে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা। মানুষের প্রয়োজনে, তাদের সঙ্গে মিশে গিয়ে দাবি-দাওয়া সহ নৈতিক অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে লড়াই আন্দোলনে শামিল হয়ে, সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা ও যোগ্যতা থেকেই সমাজে একজন সফল নেতৃত্ব উঠে আসে। এই মুহূর্তে শাসক-বিরোধী আন্দোলনের মুখ হিসাবে কে এগিয়ে- কংগ্রেসের অধীর রজ্ঞন? সিপিএমের ডঃ সুজন? নাকি বিজেপির দিলীপ? চলুন, আমরা কাটা-ছেড়ার মধ্য দিয়ে উত্তর খোঁজার চেষ্টা করি। সমীক্ষায় দেখা গেছে,অন্য সকলের চাইতে অনেক এগিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রতিযোগিতার তালিকায় বামফ্রন্টের সুজন চক্রবর্তীর সঙ্গে ঐ দলেরই সৈনিক মহম্মদ সেলিমের নাম উঠে আসলেও শেষ পর্যন্ত মহম্মদ সেলিমকে বেশ কিছুটা পেছনে ফেলে দিয়েছে জনতার পাশে থেকে আন্দোলনের সর্বক্ষণের সাথী সুজন চক্রবর্তী।অন্যদিকে কংগ্রেস দলের পক্ষ থেকে নাম উঠে এসেছে মাত্র একটি।’সবেধন নীলমণি’ অর্থাৎ অধীর রঞ্জন চৌধুরী। শাসক-বিরোধী গরমাগরম টাটকা বিবৃতিতে সাবলীল অধীর বাবু সম্প্রতি করোনা ভাইরাস প্রেক্ষাপটে ভিন্ রাজ্যে আটকে পড়া শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে যে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন, তাতে সবাইকে অনেক টা পেছনে ফেলে দিলেও দলগত অবস্থান অত্যন্ত দুর্বল। প্রতিযোগিতার দিক থেকে সার্বিক ভাবে বিচার বিশ্লেষণ করলে এই মুহূর্তে শাসক বিরোধী আন্দোলনের মুখ হিসাবে এদের দু’জন থেকে অনেক এগিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কথাবার্তা, আচরণ, দলীয় অবস্থান, বিশ্বাসযোগ্যতা সবদিক থেকেই অন্যদেরকে বেশ কয়েক কদম পিছনে ফেলে দিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে যুগশঙ্খের পক্ষ থেকে রাজ্যব্যাপী আমরা এক জনমত সমীক্ষায় নেমেছিলাম। তাতে দেখা যাচ্ছে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী কিংবা কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকে সার্বিক মূল্যায়নে দিলীপ ঘোষের ধারে কাছে নেই ওদের দুজনের কেউই। রাজ্যের ৬৫ শতাংশ মানুষ মত দিয়েছেন দিলীপবাবুর পক্ষে। ৭ শতাংশ মানুষ পছন্দ করেন সুজন চক্রবর্তীকে, আর ৫ শতাংশ মানুষের পছন্দ অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে,অবশিষ্ট ২৩ শতাংশ মানুষ কোন অভিমত দিতে চাননি । ফলে এই মুহূর্তে সার্বিক মূল্যায়নে বিষয়টি জলের মত পরিষ্কার, আন্দোলনের সফল বিরোধী মুখ একমাত্র দিলীপ ঘোষ। নেতৃত্ব দেওয়ার সব ধরনের গুণ তার মধ্যে বিরাজ করছে। শরীর-স্বাস্থ্য,বয়স,কথাবার্তা, আচরণ, রাজনৈতিক ধ্যান-ধারণা, পড়াশোনা সর্বোপরি নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা, সবদিক থেকেই তিনি এগিয়ে । মানুষের ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল হিসাবে তিনি একশো শতাংশ সফল। মানুষের প্রয়োজনে, নিজেকে উজাড় করে দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করেন না তিনি, ইতিমধ্যে একাধিক আচরণে বিষয়টি বারবার প্রমাণ করেছেন দিলীপবাবু নিজেই।

Related Articles

Back to top button
Close