fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

যারা আইন ভাঙল তাদেরই সচেতনতার কাজে নামাল জেলা ও পুলিশ প্রশাসন

আলিপুরদুয়ার: লকডাউনে রাজ্যের গ্রীন জোনে রয়েছে সীমান্ত শহর আলিপুরদুয়ার। আর গ্রীন জোনের খুব সহজ সাধাসিধে আইন মানতেও নারাজ আলিপুরদুয়ার জেলাসদরে কিছু মানুষ। জেলা প্রশাসন, পুলিশ থেকে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার তরফে শত বোঝাবার পরও বিনা কারণে রাস্তায় বের হচ্ছে মানুষ। তারমধ্যেও কিছু মানুষের মুখে নেই মাস্ক। আবার মোটরবাইক নিয়ে এমন স্পর্শকাতর পরিস্থিতিতেও চলছে বেলেল্লাপনা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবার নরমে গরমে অভিনব উদ্যোগ নিল আলিপুরদুয়ার জেলা ও পুলিশ প্রশাসন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই জেলাসদরে টানা সকাল ১০টা থেকেই বিশেষ ড্রাইভ চলে দুই ঘন্টায় প্রায় ২০জনকে আটক করে পুলিস। নিয়ম না মেনে রাস্তায় নামা জনতা ধরেই নিয়েছিল আটক সকলেরই জেল যাত্রা প্রায় নিশ্চিত।

তবে সকলকে অবাক করে দিয়ে এক্কেবারেই নতুন এক পন্থা ডুয়ার্সে দেখালো আলিপুরদুয়ার জেলা পুলিশ। যাদেরকে আটক করা হয় তাদের দিয়ে টানা প্রায় দেড় ঘন্টা লকডাউন নিয়ে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে মানুষকে সচেতন করতে বলা হয়। পুুুলিশের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেন ধরা পরা সকলে। যারা মাস্ক পরেনি,বিনা কারনে রাস্তায়, চলাচলে স্বাভাবিক দূরত্ব মানেনি তারাই জেলাসদরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে মানুষকে সচেতন করতে থাকেন।

এসডিপিও কুতুবউদ্দিন খান বলেন,“শুধু সচেতনতার কাজেই নয়,সবাইকে কাজ শেষ হবার পর শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়েছে। আশা করছি এরা দ্বিতীয়বার আর একই ভুল করবে না।মূলত ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সীদের ধরা হয়েছে।” এসডিও শ্রীরাজেশ বলেন,“করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সকলকে পাসে চাই আমরা।তবে মানুষ অসচেতন হলে বিপদ হবে সকলেরই।”

 

উল্লেখ্য, এদিন পর্যন্ত আলিপুরদুয়ার গ্রীন জোনে রয়েছে।জেলার ভেতর ৭০০ জনের বেশি মানুষের করোনা জনিত লালারসের পরীক্ষা হলেও দিল্লি ফেরত ৪ জন বাদ দিলে কারোর করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হবার ঘটনা ধরা পড়েনি।

Related Articles

Back to top button
Close