fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

লকডাউন এর জেরে নেই পাইকার, বিপাকে কুমড়ো চাষীরা

বিদ্যুৎ কান্তি বর্মন, ঘোকসাডাঙ্গা:  সব দুঃখের ভাগিদার কেন কৃষকরা হয় ,কষ্ট করেও কেন সঠিক দাম পায় না, দিশেহারা আমরা কি করব এখন এমন করেকি দিন কাটাবে কৃষকরা সারাজীবন ,সব বিষয়ে কৃষকদেরই কেন বেশি ক্ষতি হয়। লকডাউনের কারণে সবজি ব্যবসায়ী না আসায় পরেছি আমরা বিপাকে এমই ঘটার সাক্ষি হলো মাথাভাঙা ২ নং ব্লকের ফুলবাড়ি অঞ্চলের উত্তর ক্ষেতি, কাসাপাড়া,কাঁচাখাওয়া এলাকার কুমড়ো চাষীরা।এলাকায় প্রায় একশো বিঘা জমিতে চাষ হয়েছে কুমড়ো। কিন্তু বাইরের পাইকার না আসার কারণে বিপাকে পড়েছেন চাষীরা।

ক্ষেতি ফুলবাড়ী, কাসাপাড়া এলাকার বেশির ভাগ মানুষই কৃষিকাজের উপর নির্ভরশীল। জমিতে ফসল ফলিয়ে যা টাকা আসে তা দিয়ে সংসার চালান তারা।প্রতিবছর এলাকায় প্রায় একশো বিঘা জমিতে আলুর সাথে কুমড়ো চাষ করে থাকেন এলাকার কৃষকরা।ভিন রাজ্যের ব্যবসায়ীরা এসে দরদাম ঠিক করে কুমড়ো নিয়ে যান। তাতে চাষিরা বেশ লাভবান হন। অন্যান্য বছরের মতো এবারও কুমড়ো চাষ করেছেন চাষীরা।কিন্তু করোনার দাপটে দৃশ্যপট পাল্টে গিয়েছে।করোনা মোকাবিলায় সারা দেশে চলছে লকডাউন। লকডাউনের কারণে ব্যবসায়ীরা আসছেন না। দামও ঠিকঠাক জানতে পারছেন না কৃষকেরা। ফলে কুমড়ো বিক্রি নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন তারা।

আরও পড়ুন: অবশেষে মুখ বাঁচাতে বাংলায় কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা জানাল মুখ্যসচিব, রাজ্যে ১২৫৯ জন আক্রান্ত

কৃষক রতন দাস,গোপাল মন্ডল, মলয় মন্ডলরা জানিয়েছেন ,’আমরা আলুর সাথে কুমারো চাষ করি এতে কম সময়ের দুটি ফসল তুলে আমদের ভালোই লাভ হয় ।প্রতিবছর বিহারের পাইকাররা এসে দরদাম ঠিক করে কুমড়ো নিয়ে যান। কিন্তু এবছর কোন পাইকার এখনো পর্যন্ত আসেনি।বাজারে কি দাম চলছে তাও আমাদের জানা নেই। ফলে চিন্তায় আছি আমরা, কি করে বিক্রি করবো ,বেশিদিন থাকলে বা জলপেলে নষ্ট হয়ে যাবার ভয় থাকে ।কি করবো বুজতে পারছিনা।

এ বিষয়ে মাথাভাঙ্গা ২ নং ব্লকের কৃষি অধিকর্তার মলয় কুমার মন্ডল জানান ব্লকের মধ্যেই ফুলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বেশি কুমড়োর চাষ হয়। এবছর ওই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে কুমড়ো চাষ হয়েছে।বর্তমানে কৃষকরা স্থানীয় বাজারে সামাজিক দূরত্ব মেনে নিজেরাই বসে যদি বিক্রি করে তাহলে কিছুটা হলেও আর্থিক সংকট মেটাতে পারবে।

Related Articles

Back to top button
Close