fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পর্যটন মন্ত্রীর আশ্বাসে খুব শীঘ্র খুলতে চলেছে পাহাড় ও ডুয়ার্সের পর্যটন কেন্দ্র গুলি

কৃষ্ণা দাস, শিলিগুড়ি: করোনা আবহের মাঝেই ফের খুলতে চলেছে উত্তরবঙ্গের হোম স্টে ও হোটেলগুলি। উত্তরবঙ্গ বিশেষ করে পাহাড় ও ডুয়ার্স মুলত পর্যটন নির্ভর। বহুদিন ধরে পর্যটক শুন্য পাহাড় ও ডুয়ার্সে। যার ফলে পর্যটন ব্যবসার সাথে জড়িত হোটেল ব্যবসায়ীরা সহ গাড়ি ব্যবসার সাথে জড়িতদের আর্থিক সংকট ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। ইতিমধ্যে পর্যটন কেন্দ্র গুলি খুলে দিতে প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছিল পর্যটন ব্যাবসায়ীরা। পুজোর মধ্যেই একটু একটু করে পর্যটন কেন্দ্র গুলি খুলে দেওয়া যায় কিনা সে বিষয়ে কয়েকটি মিটিং হয়েছে কলকাতায়। শনিবার উত্তরবঙ্গের পর্যটন ব্যবসায়ীদের সাথে শিলিগুড়ির মৈনাক টুরিস্ট লজ পর্যটন দপ্তরে একটি বৈঠক করেন পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব। উপস্থিত ছিলেন দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি দুই জেলার জেলাশাসকরাও।

পর্যটন মন্ত্রী বৈঠক শেষে জানান, ইতিমধ্যে বনাঞ্চলগুলি খুলে দেওয়া হচ্ছে। বাকি পর্যটন কেন্দ্র গুলি খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। তবে পর্যটন কেন্দ্র শুধু খুলে দিলেই তো হলো না। পর্যটকদের আসার জন্য প্রয়োজন পরিবহন ব্যবস্থা। হাতে গোনা দু একটি দুরপালার ট্রেন চলছে। বাস পরিসেবাও সেভাবে শুরু হয় নি। মন্ত্রী বলেন যেখানে মেট্রো রেল চালু হয়ে গেছে সেখানে আরও কিছু ট্রেল চালু করার বিষয়ে কেন্দ্রের সাথে কথা বলছেন মূখ্যমন্ত্রী। এছাড়া পাহাড়ের যাতায়াতের ক্ষেত্রে বর্ষায় বেশ কিছু জায়গায় জাতীয় সড়ক খারাপ অবস্থার মধ্যে রয়েছে। সেই কাজও দ্রুত শুরু করা হচ্ছে বলে জানান পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব।

পর্যটন ব্যবসায়ী তথা হিমালয়ান হসপিটালিট অ্যান্ড টুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সভাপতি সম্রাট সান্যাল বলেন, ‘”এদিনের মিটিংএ আমরা আশাবাদী ধীরে ধীরে হলেও পর্যটন কেন্দ্র গুলি খুলতে চলেছে। পরিবহন ব্যবস্থার ক্ষেত্রে কলকাতা ও রাজধানী দিল্লির কয়েকটি ট্রেন যাতে অন্তত খুলে দেওয়া হয় সে ব্যাপারে রেলের কাছে আবেদন জানিয়েছি। আমরা আশাবাদী খুব শীঘ্র পর্যটন ক্ষেত্র গুলি খুলে যাবে। আমরা আবার ঘুরে দাড়াতে পারব।” যদিও পর্যটন মন্ত্রী পরিষ্কার করে বলেন নি কবে থেকে পর্যটন কেন্দ্রগুলি খুলছে। তিনি জানান খুব শীঘ্র কলকাতা থেকে তার ঘোষনা হবে। তাতেই পর্যটন ব্যবসায়ীদের ফের ঘুরে দাড়াবার জন্য অনেকটাই মনে আশা জাগে।

Related Articles

Back to top button
Close