fbpx
কলকাতাহেডলাইন

লকডাউনের মধ্যে কাজ, চিড়িয়াখানায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত ২, আশঙ্কাজনক ১

তদন্তকমিটি গড়লেন বনমন্ত্রী

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আলিপুর চিড়িয়াখানায়। আলিপুর চিড়িয়াখানায় কাজ করার সময়ে বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল দুই জনের। আশঙ্কাজনক আরও এক। লকডাউন থাকা সত্ত্বেও বৃহস্পতিবার চিড়িয়াখানায় একটি বেসরকারি সংস্থার বিজ্ঞাপনের হোর্ডিং লাগানো হচ্ছিল। তিন কিশোর সেই কাজ করছিল। সেই সময়ই বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয় তিন জন। দুজনের মৃত্যু ঘটনাস্থলেই হয়। কীভাবে লকডাউনের মধ্যে কাজ হচ্ছিল আর কেন কিশোরদের দিয়ে তা করানো হচ্ছিল তা নিয়ে যেমন প্রশ্ন উঠে গিয়েছে তেমনি প্রশ্ন উঠেছে যে সময় থাকতে থাকতে তা কেন পুলিশের নজরে এল না।

জানা গিয়েছে, ৩ জন কিশোর আজ লকডাউনের মধ্যেই চিড়িয়াখানায় গিয়েছিল একটি বেসরকারি সংস্থার হোর্ডিং লাগাতে। সেই সময়ই বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয় তিন জন। দুজনের মৃত্যু হয় ঘটনাস্থলেই। একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় এক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃত দুই কিশোরের মধ্যে তারিণী ঘোষের বাড়ি মুর্শিদাবাদে ও প্রদীপ দাস ভদ্রের বাড়ি কলকাতার চিংড়িঘাটায়। আহত লিন্টন দাস খিদিরপুর এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। তবে সব থেকে বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে, যে এরা লকডাউনের মধ্যে কীভাবে কার নির্দেশে কাজ করছিল। আর কেনই বা এই কাজে কিশোরদের লাগানো হয়েছিল।

বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার কথা শুনেছেন। তিনি বলেন, ”অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। আলিপুর চিড়িয়াখানার অধিকর্তার নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কী ভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখে ওই কমিটি রিপোর্ট দেবে।”

আরও পড়ুন: টিএমসির গণতন্ত্র ধ্বংসের রাজনীতি বিজেপি শেষ করবে

রাকেশ দীর্ঘ দিন ধরে চিড়িয়াখানায় কর্মী সংগঠনের নেতা হিসাবে পরিচিত। এ দিন দুর্ঘটনার খবর পেয়েই, তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছন। এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাকেশ সিংহ। তাঁর অভিযোগ, ‘লকডাউনের দিন সরকারি জায়গায় কী ভাবে একটি বেসরকারি সংস্থা কাজ করছিল? চিড়িয়াখানার অধিকর্তা কি ঘুমিয়ে আছেন? এত বড় ঘটনার পরও তাঁর খোঁজ নেই। সরকারকে জবাব দিতে হবে।’ লকডাউনের দিনে একটি বেসরকারি বিজ্ঞাপন সংস্থার কাজ কী ভাবে চলছিল চিড়িয়াখানার ভিতরে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

Related Articles

Back to top button
Close