fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

সদ্যোজাত শিশুকন্যাকে নিয়ে কয়েক ঘন্টা দাঁড়িয়ে বাড়ি ফিরতে পারলেন না ওড়িশার বধূ

মিলন পণ্ডা (পূর্ব মেদিনীপুর): সদ্যোজাত শিশুকন্যাকে নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারলেন না উড়িষ্যার এক গৃহবধূ। সদ্যোজাত শিশুকন্যাকে নিয়ে বাপের বাড়ি এবং শ্বশুরবাড়ি ফিরতে পারলেন না। কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর আর বাড়ীতে ফিরতে না পেরে আত্মীয় বাড়িতে ফিরে আসতে হল ওই গৃহবধূকে।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রুখতে উড়িষ্যার ও দিঘা বর্ডার সীল করেছে প্রশাসন। যাতায়াতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। কেবলমাত্র আপৎকালীন খাদ্যদ্রব্যের উপর ছাড় রয়েছে। বর্ডার এলাকায় দুই রাজ্যের পুলিশের কড়া নজরদারিতে তল্লাশি শুরু করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূএে জানা গিয়েছে, ওড়িশার ভোগরাই এলাকায় বাসিন্দা তারাতুন খাতুন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বাপের বাড়িতে থাকতে শুরু করেন। ১৮ এপ্রিল চিকিৎসার জন্য কাঁথিতে আসেন ওই গৃহবধু।আলট্রাসনোগ্রাফি দেখার পর চিকিৎসক নার্সিংহোমে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন। ২০ এপ্রিল কাঁথির একটি নাসিংহোমে ভর্তি করা হয় গৃহবধূকে। সেখানে একটি কন্যাসন্তান জন্ম দেয় গৃহবধূ। রবিবার সন্ধ্যায় মা ও সদ্যোজাত শিশুকন্যা সুস্থ থাকার পর নাসিংহোম থেকে ছুটি করে দেয় কর্তৃপক্ষ। এরপর রামনগরের রানীসাইতে আত্মীয়র বাড়িতে চলে যায়।

সোমবার সকালে অ্যাম্বুলেন্স করে বাড়ি ফেরার জন্য রওনা দেয় সদ্যোজাত শিশু কন্যাকে নিয়ে ওই গৃহবধূ।প্রথমে যেতে দেওয়া হবে বলে জানিয়ে দেয় দিঘা থানার পুলিশ। অবশেষে এলাকায় জনপ্রতিনিধি ও বিডিও তত্ত্বাবধানে বাড়ি ফেরার ছাড়পত্র দেয়। তারপরে বাধা হয়ে দাঁড়ায় ওড়িশার তালসারি উপকূল থানার পুলিশ। কোনওভাবে অ্যাম্বুলেন্স রাজী হয়নি।

গৃহবধূর বাপের বাড়ি ও শ্বশুরবাড়ি লোকেরা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বললেও কোনওমতেই রাজী হয়নি। প্রায় পাঁচ ঘন্টা গাড়িতে বসেই থেকেই অবশেষে আত্মীয় বাড়ি রামনগরের রানীসাইতে সদ্যোজাত শিশুকন্যাকে নিয়ে ফিরে আসতে হয়।

Related Articles

Back to top button
Close