fbpx
দেশহেডলাইন

পরিযায়ী শ্রমিক, পর্যটক, পড়ুয়াদের ঘরে ফেরাতে দেশজুড়ে চালু হতে চলেছে ট্রেন!

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: ৩ মে-র পর থেকেই দেশজুড়ে চালু হতে চলেছে ট্রেন। কিন্তু জানা যাচ্ছে নিত্যযাত্রীরা এখনই এই পরিষেবা পাবে না। আসলে এই ব্যবস্থা চালু হবে পরিযায়ী শ্রমিক, পর্যটক, পড়ুয়াদের জন্য। সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গ, কেরালা, তামিলনাড়ু, রাজস্থান সহ একাধিক রাজ্যের চাপেই শেষমেশ এমন ভাবনাচিন্তা কেন্দ্রের।

সূত্রের খবর, রেল মন্ত্রক প্রতিদিন চারশোটি করে বিশেষ ট্রেন চালিয়ে ভিন রাজ্যের অভিবাসীদের ফেরানোর বন্দোবস্ত করার পরিকল্পনা করতে শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। প্রয়োজন বুঝে ও নিয়ম মেনে এই সংখ্যাটা হাজারও হতে পারে। যদিও ৩ তারিখ পর্যন্ত অর্থাত্‍ দ্বিতীয় দফার লকডাউন শেষ না হওয়া পপর্যন্ত এ নিয়ে কোনও তথ্যই সরকারি ভাবে কেউ প্রকাশ করেননি, কিন্তু সরকারের উচ্চ পর্যায়ে বৈঠক করে ইতিমধ্যেই রেল মন্ত্রক একটি খসড়া পরিকল্পনা তৈরি করে ফেলেছে। জানা যাচ্ছে আপাতত দৈনিক ৪০০ টি ট্রেন চালানো হবে। তবে পরবর্তীকালে এই সংখ্যাটি বাড়িয়ে ১০০০ করা হবে। তবে এই বিষয়ে প্রাথমিক কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। প্রাথমিকভাবে রেল মন্ত্রক থেকে জানানো হয়েছে, ২০০০ আসনের প্রতি ট্রেনে মাত্র ১০০০  জন উঠতে পারবে। এবং গন্তব্যস্থানে পৌঁছাবার পর সেইসব যাত্রীদের বাধ্যতামূলক ভাবে ১৪ দিন কোয়ারেনটাইনে থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: আক্রান্ত সাড়ে ৩৩ হাজার, ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত আরও ৬৭

রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট যেমন টুইট করেছেন ইতিমধ্যেই: অভিবাসী শ্রমিকদের ফেরানোর জন্য অনেক দিন ধরে যে দাবি করছি আমরা, তা পূরণ হতে চলেছে। কিন্তু ট্রেন না চালালে তা সম্ভব নয়। দূরদূরান্ত থেকে বাসে করে বিনা বাধায় ঘরে ফেরা খুব মুশকিল। রাজস্থান সরকারের কাছে বিভিন্ন রাজ্য থেকে ইতিমধ্যেই ৬ লক্ষ শ্রমিকের আবেদন এসেছে ফিরতে চেয়ে। তামিলনাড়ু, কেরালা, তেলেঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ, অসম- সব জায়গায় ছড়িয়ে আছেন তাঁরা। আমি সরকারের কাছে অনুরোধ করছি, রেল ব্যবস্থা চালু করার জন্য।

ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনও বলেন, যে তিনি রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলকে জানিয়েছেন, ছাত্র ও শ্রমিকদের ফেরানোর জন্য বিশেষ ট্রেন চালালে ভাল হয়। প্রসঙ্গত, বিহারের প্রায় সাড়ে ছ’লক্ষ শ্রমিক সারা দেশে ছড়িয়ে আছেন। পড়ুয়া আছেন তিন লক্ষ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আগেই এই অনুরোধ করেছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে ও কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। ওড়িশা, উত্তরপ্রদেশ, পঞ্জাব সরকারেরও একই দাবি। যদিও বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার বলেছেন, কেন্দ্র যা সিদ্ধান্ত নেবে ভেবেচিন্তে, সেটাই ঠিক হবে।

 

Related Articles

Back to top button
Close