fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বিশ্ব পরিবেশ দিবসেই অবাধে চলছে পুকুর ভরাট, অভিযোগ পঞ্চায়েত সদস্যদের

জয়দেব লাহা, দুর্গাপুর: চলছে লকডাউন। আর সেই সুযোগে অবাধে চলছে পুকুর ভরাট। আইনকে তোয়াক্কা না করে মাটি ফেলে চলছে ভরাট। অভিযোগ, জলাশয় ভরাট করে চলছে প্রমোটারি। আর তার জেরে বর্ষায় বিপাকে পড়ার শঙ্কায় আশপাশের বাসিন্দারা। প্রতিবাদে সরব হয়েছে, বাসিন্দাদের পাশাপাশি স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যরা। ঘটনাটি কাঁকসার পানাগড় গ্রামে।

পানাগড়ের মৌজার জেএল নং ৮৫, দাগ নং ২২৭৮ র প্রায় ৯ শতকের জলাশয়টি গত দুদিন ধরে মাটি ফেলে চলছে ভরাট। আর তাতেই ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী থেকে পরিবেশ প্রেমীরা। ভূমি রাজস্ব আইন অনুযায়ী, পুকুর ভরাট করতে হলে রাজস্ব দিয়ে অনুমতি নিতে হয়। একই সঙ্গে সম পরিমান জলাশয় অন্যত্র তৈরী করতে হবে। এছাড়াও পশ্চিম বর্ধমানের কুলটি, সালানপুর, রানীগঞ্জ,জামুড়িয়া, অন্ডাল, লাউদোহা, দুর্গাপুর, কাঁকসা রেড জোন বলেই চিহ্নিত। কারন এসব এলাকায় ভূগর্ভস্ত জলস্তর অনেক নীচে। প্রতিবছর গ্রীষ্ম কালে জলের সঙ্কট দেখা দেয়। প্রশ্ন, তারপরও কিভাবে চলছে পুকুর ভরাট? বিশ্ব পরিবেশ দিবসে জলাশয় ভরাট রুখতে সরব হয়েছে স্থানীয় ত্রিলোকচন্দ্রপুর পঞ্চায়েত সদস্য বিনোদ বিহারী গোস্বামী, পুর্নিমা বাগদী ও মিন্টু খান।

ওই তিন পঞ্চায়েত সদস্য জানান,” পুকুরটি ভরাট হলে আশপাশে কূপ, নলকূপে জলের টান পড়বে। জলসঙ্কট বাড়বে। তাছাড়া বর্ষায় এলাকার নিকাশি জল ওই পুকুরে পড়ে। ভরাট হলে বর্ষার জল যাওয়ার কোন জায়গায় থাকবে না। জলমগ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই কোনওভাবে পুকুর ভরাট মানব না। আমরা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। পুকুরটি পুর্বের অবস্থায় ফেরানোর দাবী জানিয়েছি।”

কাঁকসা বিডিও সুদীপ্ত ভট্টাচার্য্য জানান,” অভিযোগ হাতে আসেনি। তবুও বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।”

Related Articles

Back to top button
Close