fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

চূড়ান্ত নজরদারিতে তুলতে হবে লকডাউন, নইলে ফের ঘনাতে পারে বিপদ: WHO

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: দীর্ঘ কয়েক মাস কেটে গেল বিশ্বজুড়ে জারি রয়েছে লকডাউন। এতে যেমন একদিকে অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়ছে বিশ্ববাসী তেমনি চাকরি হারাচ্ছেন বহু মানুষ। সংকটের মধ্যে চলছে সামাজিক ব্যবস্থা। কিন্তু করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গেলে একটা সময়ে লকডাউন শিথিল করতেই হবে কিংবা তুলে নিতে হবে সম্পূর্ণভাবে। কিন্তু তা বলে অনিয়মিত জীবনযাত্রা ফির ডেকে আনতে পারে বিপদের আশঙ্কা। তাই আগামীতে লকডাউন শিথিল করলেও চালাতে হবে চূড়ান্ত নজরদারি নয় তো ফের ঘনিয়ে আসতে পারে বিপদ এমনটাই জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু।

জেনেভায় অনলাইন সাংবাদ সম্মেলনে তিনি জানিয়েছেন, ‘প্রথম আক্রমণের পরে স্তিমিত হয়ে গেলেও, লকডাউন শিথিল করা মাত্র দ্বিতীয়বার নতুন এই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার খবর আসছে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকেই। ফলে সতর্কতা বা নজরদারি আরও তীব্র ও তীক্ষ্ণ করা ছাড়া উপায় নেই।’

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা হ্রাস পাওয়ার প্রেক্ষাপটে লকডাউন শিথিলের সিদ্ধান্ত নেয় মহামারিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়া ফ্রান্স, স্পেন ও ইতালি। সোমবার থেকে লকডাউন শিথিলের পর ইউরোপের ওই দেশগুলিতে দীর্ঘদিন পর ছন্দ ফিরেছে। কয়েকদিন আগেই লকডাউন শিথিল করা হয় জার্মানিতে। কিন্তু এরপরই দেশটিতে সংক্রমণের হার বাড়তে শুরু করে। এশিয়ার দেশ দক্ষিণ কোরিয়াতেও লকডাউন শিথিলের পর সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। তবে দেশটি শুরু থেকেই করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে রেখে বিশ্ববাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছে। এপ্রসঙ্গে ডা. মাইক রায়ান বলেন, ‘অনেক দেশ লকডাউন তুলে নেওয়ায় আমরা কিছু আশা দেখতে পাচ্ছি। তবে এর সঙ্গে সঙ্গে চরম সতর্কতাও মেনে চলতে হবে’।

চিন, জার্মানি ও দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন করে সংক্রমণ শুরু হলেও তা কঠোর নজরদারির মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণে আনা সক্ষম হবে বলে মনে করেন ডা. রায়ান। তিনি বলেন, ‘যেসব দেশ চোখ, কান খোলা রেখে মহামারির মোকাবিলা করছে তাদের নাম আমাদের নিতেই হবে’। তবে কোনও দেশের নাম উল্লেখ না করে তিনি এও বলেন যে, ‘বিপরীতে কিছু দেশ চোখ বন্ধ করে প্রলয় সামলানোর চেষ্টা করছে’।

একই সংবাদ সম্মেলনে হু’র প্রধান ডা. টেড্রোস আধানম গেব্রিয়াসিস বলেন, ‘লকডাউনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া জটিল ও কঠিন প্রক্রিয়া।’ তবে মানুষের জীবন ও জীবিকার তাগিদে ‘ধীরে ধীরে লকডাউন তুলে নিতে হবে’ বলে মনে করেন তিনি।

Related Articles

Back to top button
Close