fbpx
দেশহেডলাইন

কাজ হারানো মানুষদের প্রতি মাসে ৭,৫০০ টাকা করে কমপক্ষে ৩ মাস দেওয়ার দাবি ইয়েচুরির

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: দেশে অপরিকল্পিত লকডাউনের জন্য প্রায় ১৪ কোটি মানুষকে কাজ হারাতে হয়েছে। এঁদের প্রতি মাসে ৭,৫০০ টাকা করে কমপক্ষে ৩ মাস দেওয়া হোক। এক বার্তায় কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এই দাবি জানালেন সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি।

ভারতের সিএমআইই-র পরিসংখ্যান জানাচ্ছে দেশে মার্চের প্রথম থেকে শুরু করে এপ্রিলের ২০ তারিখ পর্যন্ত বেকারির হার বেড়ে পৌঁছেছে প্রায় ২৩.৬ শতাংশে। মার্চ মাসের শুরুতে এই হার ছিলো ৭.৫ শতাংশ। অন্যদিকে ১ মার্চ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে দেশে শ্রমশক্তির অংশগ্রহণ কমেছে প্রায় ৭ শতাংশ। গত ১ মার্চ যার হার ছিলো ৪২.৮ শতাংশ, সেই হার এপ্রিলের ১৯ তারিখ এসে দাঁড়িয়েছে ৩৫.৯ শতাংশে।

ওই পরিসংখ্যান অনুসারে দেশে ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে বেকারির সংখ্যা ৩.৪ কোটি থেকে বেড়ে হয়েছে ৮.৮ কোটি। মাত্র দু মাসেই দেশে বেকার হয়েছে ৫.৪ কোটি মানুষ। এই সময়ে দেশে প্রায় ৬.৮ কোটি মানুষ দেশের শ্রমশক্তি থেকে বাদ পড়েছেন। কোভিড পরবর্তী পরিস্থিতিতে দুই ক্ষেত্র মিলিয়ে এই সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ১২.২ কোটি।

আরও পড়ুন: আমেরিকায় মৃত্যু সংখ্যা ছাড়াল ৫০ হাজার

এই পরিসংখ্যান তুলে ধরে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে কর্পোরেটদের ঋণ মকুবের প্রসঙ্গ টেনে এনে ইয়েচুরি দাবি করেন, ‘দেশে অপরিকল্পিত লকডাউনের জন্য প্রায় ১৪ কোটি মানুষকে কাজ হারাতে হয়েছে। এঁদের প্রতি মাসে ৭,৫০০ টাকা করে কমপক্ষে ৩ মাস দেওয়া হোক। এই কাজে কেন দেরি করা হচ্ছে? মোদী কর্পোরেটদের যে ৭.৭৬ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ মকুব করেছেন এটা তার তুলনায় সামান্য।’ এরপরেই বেকারি সমস্যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী উদাসীন বলে তোপ দেগে তিনি বলেন, ‘দেশের বেকারির পরিসংখ্যান যথেষ্ট ভীতিপ্রদ। জীবন মরণের প্রশ্ন। কিন্তু এদিকে কোনো লক্ষ্য নেই। একটা ট্যুইট পর্যন্ত করেননি মোদি’

পাশাপাশি এই করোনা পরিস্থিতিতেও সংসদ ও রাষ্ট্রপতিভবন সংস্কারের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থবরাদ্দ করাকে কটাক্ষ করে ইয়েচুরি বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত এঁদের (কর্মহীন হয়ে পড়া ব্যক্তি) জন্য টাকা পাঠাবার কোনো পরিকল্পনা নেই। তাঁর কাছে যদিও নিজের জন্য নতুন বাড়ি সহ সেন্ট্রাল ভিস্টা প্রকল্পে দেবার মত টাকা আছে, কিন্তু যারা কাজ হারিয়েছে তাঁদের দেবার জন্য কিছু নেই।’

Related Articles

Back to top button
Close