fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বাংলায় যোগী সেনা…জেহাদিদের হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে সক্রিয় গেরুয়া শিবির

রক্তিম দাশ, কলকাতা: জেহাদিদের তাণ্ডবে বিপন্ন বাংলা তথা দেশ। উত্তরপ্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের আদর্শে গঠিত এই কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের লক্ষ্য জেহাদি কর্মকাণ্ড রুখে দেশকে সুরক্ষিত করা। বিপদের দিনে হিন্দুদের পাশে দাঁড়ানো। উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, কেরলের পর এবার যোগী সেনার টার্গেট বাংলা।

যোগী সেনার রাজ্য যুবমোর্চার সভাপতি দিবাকার দেবনাথ জানান, আমাদের লক্ষ্য হিন্দু রাষ্ট্র এবং অখণ্ড ভারত। আমাদের সংঠনের অন্যতম উদ্দেশ্য বাংলায় হিন্দুদের রক্ষা করতে একুশে গেরুয়া শিবিরকে ক্ষমতায় আনা।‘ আর ইতিমধ্যেই যোগী সেনার তরফে রাজ্যজুড়ে সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে। যোগী সেনার দাবি, এই মুহূর্তে তাঁরা রাজ্যের ১৭টি জেলায় সভাপতি নিয়োগ করেছেন এবং বাকি জেলাগুলোতে তাঁদের আহ্বায়ক কমিটি রয়েছে। বাংলাজুড়ে তাঁদের পাঁচ হাজার সক্রিয় সদস্য রয়েছেন।

দিবাকর দেবনাথ যুগশঙ্খকে বলেন, ‘আমাদের টার্গেট রাজ্যে ১ কোটি সদস্য সংগ্রহ করা। সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি। জেহাদিদের হাত থেকে দেশ ও পশ্চিমবঙ্গকে রক্ষা করতে তাঁরা পথে নেমেছি। তাঁর কথায়, ‘সিএএ-এর সময় আমরা দেখেছতাণ্ডব। কারা করেছে আমরা তাদের চিনি। এর থেকে আমাদের শিক্ষা হয়েছে। এদের যদি না ঠেকানো যায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কোনও নিরাপত্তা থাকবে না। আমরা হিন্দুরা সমগ্র বিশ্বকে মানবতা এবং শান্তির পাঠ দিয়েছি। এই ভাবনা থেকেই আমরা যোগী সেনাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। যোগী অদিত্যনাথ আমাদের অনুপ্রেরণা। তাঁকে আমরা সমর্থন করি।’

আরও পড়ুন:ফের ভাঙল রেকর্ড, ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত প্রায় ৫০ হাজার!

দিবাকরবাবু অভিযোগের সুরে বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে স্বাধীনতার পর থেকে হিন্দুদের সঙ্গে বঞ্চনা করা হয়েছে। এখানকার বেশির ভাগ মানুষই এখন রাজনীতি বিমুখ হয়ে পড়েছেন। তাঁদের মধ্যে হিন্দুত্বকে জাগিয়ে তুলতে হবে। কারণ পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সামনে হিন্দুত্ব ছাড়া আর কোনও রাস্তা নেই। আমরা হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক দলগুলিকেই সমর্থন করি। তাঁদের জন্য যা করতে হবে তা আমরা করব। আমরা চাই, তৃণমূল থেকে সিপিএম প্রতিটি রাজনৈতিক দলের পতাকার রঙ গেরুয়া হোক। কারণ ভারতবর্ষ হিন্দুদের বাসভূমি।’

যোগী সেনা ভোটে লড়াই না করলেও একুশের লড়াইয়ে তাঁরা গেরুয়া শিবিরের পক্ষেই থাকবেন এমনটা জানান সংগঠনের রাজ্য যুবমোর্চার সভাপতি। তাঁর কথায়, ‘আমাদের কাজ আত্মরক্ষা করা এবং জ্ঞান অর্জন করা। একুশের লড়াইয়ে হিন্দুত্ববাদী শক্তিকে ক্ষমতায় আনতে যোগী সেনা প্রস্তুত। আমরা বিজেপির সাহায্য চাই না। বরঞ্চ আমরা বিজেপিকে সাহায্য করতে চাই। যতদিন বিজেপি হিন্দুত্ব নিয়ে এগিয়ে যাবে, যোগী সেনা ততদিন বিজেপির সঙ্গেই থাকবে।’

আরও পড়ুন:প্রয়াত স্বনামধন্য নৃত্যশিল্পী অমলাশঙ্কর

জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালে হরিয়ানাতে কট্টর হিন্দুত্ববাদী এই সংগঠনের জন্ম দেন কুলদীপ শর্মা। যিনি এই সংগঠনের সবার কাছে কুলদীপ হিন্দুজি নামে পরিচিত। তিনি এই সংগঠনের প্রধান। লকডাউন চলাকালীন এই সংগঠনটি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে। এমনকী, বাংলায় সংগঠন পরিচালনার জন্য ১০ জনকে নিয়ে রাজ্য কমিটিও গঠিত হয়েছে। এই সংগঠনের সভাপতি বাসুদেব দাস, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় মালব্য, মহিলা মোর্চার সভাপতি মৌমিতা সরকার।

Related Articles

Back to top button
Close