fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনা উপসর্গ নিয়ে কাঁথি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু

মিলন পণ্ডা (পূর্ব মেদিনীপুর): পূর্ব মেদিনীপুর জেলা এগরা থানার বাসুদেবপুর এলাকায় এক যুবক করোনা উপসর্গ নিয়ে কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই যুবকের মৃত্যু হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃত শঙ্কর জানা (৩২)। তার বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা থানার বাসুদেবপুরে দুলালপুর গ্রামে।এই মৃত্যু ঘটনার পর এলাকায় বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূএে জানা গিয়েছে, গত দশদিন আগে এগরা বাসিন্দা শঙ্কর নামে এক যুবক জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এরপর পরিবারের লোকেরা উদ্ধার করে কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন।

হাসপাতালের চিকিৎসক কোনও ঝুঁকি না নিয়ে আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা শুরু করেন। পাশাপাশি লালারস সংগ্রহ করে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের পাঠায়। একদিন পরেই রির্পোটের করোনা ভাইরাস নেগেটিভ আসে।

এরপর ওই যুবককে আইসোলেশান থেকে সাধারণ বিভাগে রেখে চিকিৎসা শুরু করেন কাঁথি হাসপাতালের চিকিৎসক। শুক্রবার সকালে ওই যুবকের অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালের চিকিৎসক কলকাতার নীলরতন হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন। এদিন সন্ধ্যায় অ্যাম্বুলেন্স করে কলকাতা নিয়ে যাওয়ার পথে মাঝ রাস্তায় মৃত্যু হয় ওই যুবকের। ওই অ্যাম্বুলেন্স করে পরিবারের লোকেরা কলকাতার না গিয়ে ফিরে নিয়ে চলে আসে। মৃতদেহ বাড়ি না গিয়ে কাঁথির খগচণ্ডী শ্মশানে সৎকার করেন পরিবার থেকে প্রতিবেশীরা।

কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে সুপার সভ্যসাচী চক্রবর্তী বলেন, গত কয়েকদিন আগে জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট উপসর্গ নিয়ে কাঁথি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল এগরার ওই যুবক। কোনরকম ঝুঁকি না নিয়ে ওই যুবকের আইসোলেশানের পাশাপাশি লালারস সংগ্রহ করে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়। ওই রিপোর্টে করোনা ভাইরাস নেগেটিভ আসে। হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা চলছিল শুক্রবার শারীরিক অবস্থায় অবনতি হলে কলকাতার সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। কলকাতার নিয়ে যাওয়ার পথে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
এলাকার তৃণমূল উপপ্রধান পীযূষ চক্রবর্তী বলেন, এগরায় দুলালপুরে শঙ্কর জানা নামে ওই যুবক দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। চার -পাঁচ বছর ধরে হাঁপানি রোগে ভুগছিলেন। পরিবারের লোকেরা ওই যুবকের চিকিৎসাও চালাচ্ছিলেন। ঘটনার মধ্যে ওই যুবককে স্ত্রী ছেড়ে চলে যায়। গ্রামের ও পরিবারের লোকেরা কাঁথির খগচণ্ডী শ্মশানে নিয়ে গিয়ে সৎকার করেন।

Related Articles

Back to top button
Close